দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। হঠাৎ বিপর্যয় নেমে এল ব্রিটেনের উপর।একের পর এক যুদ্ধ জাহাজ হারাচ্ছে তারা মধ্য আটলান্টিকে।নিরাপত্তার চূড়ান্ত ব্যবস্থা নিয়েছেন অ্যাডমিরাল, তবু কেমনভাবে যেন কনভয়ের রুট অর্ডার চলে যাচ্ছে শত্রু পক্ষের হাতে।দিশাহারা হয়ে ডিউক দ্য রিচলুর কাছে ছুটে এলেন ওঅর কেবিনেটের স্যার পেলিনর গোয়াইন কাস্ট।সমস্ত ঘটনা জানানোর পর বিমর্ষ স্যার পেলিকন জানালেন, নাৎসিরা প্রচলিত কোন যোগাযোগ পদ্বতি ব্যবহার করছে না।ডিউক জবাব দিলেন, ওরা তা হলে নিশ্চয়ই ব্যবহার করছে অপ্রচলিত কিংবা অতিপ্রাকৃত পদ্বতি।সাদা কথায় যাকে বলে ব্ল্যাক ম্যাজিক।
শত্রুর দেশ চিনতে পেরে তিন বন্ধু সাইমন আরন, রেক্স ভ্যান রাইন,রিচার্ড ইটন আর তাঁর স্ত্রী মেরি লুকে নিয়ে ডিউক এসে উপস্থিত হলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের নিগ্রো রিপাবলিক অভ হাইতিতে।শুধু ভুডু বা ব্ল্যাক ম্যাজিক নয়, লুকিয়ে নরমাংস ভোজনের প্রচলনও রয়েছে সেখানকার কোন কোন গোষ্ঠীর মাঝে।এমনকি জোম্বি কি জিনিস, সেটা তাঁরা টের পেয়ে গেলেন হাড়ে হাড়ে।ভয়ংকর সেই দ্বীপে শত্রুকে তারা দেখলেন সশরীরে।কিন্তু এ শত্রু সাধারণ কেউ নয়।পৃথিবীতে, পার্থিব অস্ত্রে তাকে পরাজিত করা প্রায় অসম্ভব