책 세부 정보
형식
하드커버
페이지
495
언어
벵골어
출판됨
Jan 1, 2016
출판사
Tamralipi
설명
”সেরা পাঁচ হিমু” বইটি হিমুকে নিয়ে হুমায়ুন আহমেদের লেখা সেরা পাঁচটি গল্প নিয়ে সাজানো।গল্পগুলো হলো- এবং হিমু, হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D বল্টু ভাই, হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম, হিমুর দ্বিতীয় প্রহর, হিমুর রূপালী রাত্রি। কিছু গল্পের পরিচিতি দেওয়া হলো===”এবং হিমু” গল্প থেকে- সময়টা রাত একটা। হিমুর গায়ে যে পাঞ্জাবি তাতে কোন পকেট নেই। পকেট নেই বলেই মানিব্যাগও নেই। পকেটহীন এই পাঞ্জাবি তাকে রূপা কিনে দিয়েছে। ---”পাঞ্জাবির এই বিরাট ত্রুটির দিকে রূপার দৃষ্টি ফেরাতেই সে বলল, পকেটের তোমার দরকার কি! রূপবতী মেয়েদের সব যু্ক্তিই আমার কাছে খুব কঠিন যুক্তি বলে মনে হয়। কাজেই আমিও বললাম, তাই তো, পকেটের দরকার কি।রূপা বলল, তুমি নিজেকে মহাপুরুষ টাইপের একজন ভাব। মহাপুরুষদের পোশাক হবে বাহূল্য বর্জিত।===’হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম’ গল্পে দেখা যায়-সারা দিন হিমুকে থানায় বসিয়ে রাখা হয়। রাতে ওসি নানা প্রশ্ন করে, থানার রেকর্ড অফিসার এর কাছে হিমু সম্পর্কে জানতে পেরে ওসি হিমুকে ছেড়ে দেন। রাত দুইটা বাজে এই সময় বাইরে কোন গাড়ি পাবে না তাই ওসি পুলিশের জীপ দিয়ে হিমুকে তার গন্তব্যে পৌছে দেন। পাঁচ বছর পর মারিয়ার সাথে আবার হিমুর দেখা হয়। পাঁচ বছর আগে মারিয়া একটা ইন্টারেস্টিং চিঠি লিখেছিল। সাংকেতিক ভাষায় চিঠি। এই সাংকেতিক চিঠির পাঠোদ্ধার করে দেয় হিমুর ফুপাতো ভাই বাদল। কিন্তু হিমু সে চিঠির উত্তর দেয় না, মারিয়ার সাথে আর যোগাযোগও হয় না। বহু দিন পর আবার যোগাযোগ হল হঠাৎ দেখায়।===’হিমুর রূপালী রাত্রি’ গল্পতে দেখা যায় হিমু আর তামান্না নামে একটি মেয়ের বিয়ের কথাবার্তা চলছে। গল্পের এক পর্যায়ে দেখা যায়, তামান্না বিয়েতে রাজিও হয়ে যায়। কিন্তু-আমি ঘর ছাড়িয়া বাহির হইয়া জ্যোৎস্না ধরতে যাই।/হাত ভর্তি চাঁদের আলো, ধরতে গেলে নাই।